মাত্র ৩টা সিম্পল অপশন ছিল ক্লাস নাইনে তাই না? ডাক্তার হতে চাইলে সায়েন্স, বিজনেস করতে চাইলে কমার্স, আর ফাঁকিবাজি করতে চাইলে আর্টস।
এতে করে ২/১ দিনের ভিতরেই সহজে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত। তাই নাই? কিন্তু কয়েক বছর পর এলো সেই ভয়ংকর মুহূর্তঃ ভার্সিটি অ্যাডমিশন!
ডাক্তার নাকি ইঞ্জিনিয়ার? প্রোগ্রামার নাকি ফ্যাশন ডিজাইনার? BBA নাকি LLB? এইরকম শত শত অপশন। মাথা ঘুরে যাওয়ার মতো অবস্থা হল আপনার। এরপর শুরু হলো আপনার ব্রেনের উপরে চাপ।
⠀
ঠিক ঐ ধরনের কনফিউশনের মত আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটররাও কনফিউজ হয়। যত বেশি অপশন, তত বেশি কনফিউশন!
------------------------------------------------
- The time it takes to make a decision increases with the number and complexity of choices.
⠀
------------------------------------------------
আপনার প্রোডাক্টের ফিচার ১৭টি হলেও হোমপেজে ৫টির বেশি দেখাবেন না। আপনি হয়ত ভাবছেন, এত চরম চরম ফিচার, এগুলো আমি কাস্টমারকে দেখাবো না, কী বলছেন আপনি? কাস্টমার আপনার প্রোডাক্ট কত ফিচার আছে সেটা দেখে কিনে না, বরং সে তার সমস্যার সমাধান পেলেই কিনে ফেলে।
সুতরাং কম প্রয়োজনীয় ফিচার (অন্য পেজে রেখে) বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ন ফিচারগুলো হোমপেজে রাখুন। প্রয়োজনে ১৭টা ফিচারই দেখাতে পারবেন যদি ক্যাটেগরাইজ করে সেগুলোকে ৩টা থেকে ৫টা ফিচারে নামিয়ে আনতে পারেন।
------------------------------------------------
⠀
আমি অনেক ওয়েবসাইট দেখেছি যেসব ওয়েসবাইটের পেজ গুলো হোমপেজ থেকে ব্রাউজ করে খুঁজে পাবেন না। শুধুমাত্র গুগল সার্চ করলেই সেটা খুঁজে পাবেন। তারমানে সব পেজ কিংবা সব অপশন জোর করে সবাইকে দেখানোর মধ্যে কোন বীরত্ব নাই।
লিখেছেনঃ Shahadat Shemul ভাই। (কিছুটা পরিবর্তিত)— at Wari, Dhaka, Bangladesh.